Page 1
MARKING SCHEME
SUBJECT – BENGALI
( বাংলা )
CLASS XII
SESSION - 2021 – 2022
SUBJECT CODE : 105
TERM-II
Code No. 105
1
Page 2
Please check that this question paper contains 08
printed pages.
The Question Paper consists of three Sections.
2
Page 3
Marking Scheme
Class - XII (2020 - 21)
Subject – Bengali
সময়- ২ ঘণ্টা সর্বমোট অঙ্ক -
80
Time: 2 Hrs. Maximum Marks:
40
Question Expected Answers / Value Points Distribution
No. of Marks
SECTION A (GRAMMAR)
1. ধ্বনিবিজ্ঞানের যে –কোনো একটি রীতির দুটি উদাহরণ সহ সংজ্ঞা 5
●শুধু সংজ্ঞাটিকে ঠিকভাবে লিখলে 2 নম্বর (3+2)
●উস শব্দটিকে পাশে রেখে উদাহরণ দিলে অর্থা উচ্চারণ পরিবর্তনের স্তর নির্দেশের
চেষ্টা করলে প্রতিটি উদাহরণের জন্য 1 নম্বর যেমন : অপিনিহিতি – ‘দেখিয়া’>
‘দেইখ্যা’ 1+1=2
কিনতু সংশ্লিষ্ট রীতি প্রভাবিত শব্দটির উল্লেখ করলে প্রতিটির জন্য 0.5 নম্বর
যেমন: অপিনিহিতি- ‘দেইখ্যা’ 0.5 + 0.5 = 1
2. অলঙ্কারের উদাহরণ সহ সংজ্ঞা (যে –কোনো একটি) a) অনুপ্রাস b) 5
যমক
(3+2)
●সংজ্ঞার জন্য 3 নম্বর উদাহরণের জন্য 1.5 নম্বর এবং সংজ্ঞার সঙ্গে
উদাহরণের যোগ স্থাপনের জন্য 0.5 নম্বর
সংজ্ঞা সহ অলঙ্কার নির্ণয়
(a), (b) ও (c)-এর মধ্যে যে –কোনো একটির উত্তর দিতে হবে
মূল অলঙ্কারের নাম উল্লেখ করলেই 1 নম্বর সঙ্গে সংজ্ঞা উপস্থাপন করলে আরো
3
Page 4
2 নম্বর সংজ্ঞার সঙ্গে উদ্ধৃত পংক্তির সংযোগ দেখালে 2 নম্বর
উত্তর সংকেত :
a. যমক b. অনুপ্রাস c. অনুপ্রাস
SECTION B(COMPOSITION& WRITING)
3. প্রতিবেদন পড়ে প্রশ্নোত্তর 5
(2+3)
a. শিরোনাম- উত্তর সংকেত:
● পুরস্কারের সার্থকতা
● নোবেলের মাহাত্ময
্
● শ্বেতাঙ্গ: নোবেলের দাবিদার
b. প্রতিবেদনের মূল বিষয়টি তিনটি বাক্যের মধ্যে উল্লেখ করতে পারলে 2 নম্বর
দেওয়া হবে
● পুরস্কার মানুষের পরিচিতি বাড়ায়
● নোবেল প্রাপক হতে পারেন বিখ্যাত শ্বেতাঙ্গরা
● সাহিত্যে নোবেল প্রাপকের লেখার সঙ্গে বিভিন্ন ভাষার মানুষ যেন পরিচিত থাকে
4. পত্র লিখন: বাবাকে অথবা বন্ধুকে 5
(3+2)
চিঠির বিষয়বস্তুর জন্য 3 নম্বর
অবয়ব সংস্থানে তারিখ, প্রেরকের ঠিকানা বা স্থান, সম্বোধন ও সমাপ্তি
সূচক পদ থাকবে পত্রের শেষে স্বতন্ত্রভাবে প্রাপকের নাম, ঠিকানা
থাকলে পুরো 2 নম্বর দেওয়া হবে
SECTION-C( LITERATURE & SUPPLEMENTARY READER)
5. গদ্য থেকে উদ্ধৃতি তুলে প্রশ্ন 5
(2+3)
“. “প্রমাণ? প্রমাণ অনেক”-
4
Page 5
উত্তর সংকেত
a. সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ রচিত ‘ভারতবর্ষ’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বুড়ির মৃত্যু
হয়েছে বলে ধরে নিয়ে তার সকারের উপায় নিয়ে হিন্দু ও মুসলমান- দুই সম্প্রদায়ের
লোকেরা নিজেদের পক্ষে সপ্রমাণ যুক্তির অবতারণা করেছিল ; সেই প্রসঙ্গে এই
উক্তি
b. মুসলমান ধর্ম ভুক্ত মোল্লা সাহেব, করিম ফরাজি, ফজলু শেখ ও হিন্দু ধর্মীয়
ভটচাজ মশাই, নকড়ি নাপিত, নিবারণ বাগদি –এরা প্রত্যেকেই বুড়ি যে তাদের
স্বজাতীয় -তার পক্ষে যা যা ঘটনা ও যুক্তি উপস্থাপন করেছিল তার উল্লেখ
প্রয়োজন
“আমি কী তা দেখতে পাচ্ছিস নে ?”
a. ● সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ রচিত ‘ভারতবর্ষ’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ভিখিরি বুড়ির
শবদেহ ও সকারকে ঘিরে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে কোন্দল যখন তুঙ্গে তখন বুড়ির
আকস্মিক উঠে বসা সবাইকে বিস্মিত করে
● সকলের উসাহী প্রশ্ন থাকে তার ধর্ম কী? সেই ধর্মোন্মাদ প্রশ্নের উত্তরে বুড়ির
এই রোষাত্মক উক্তি
b. ● বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকামী ভারতবর্ষে যখন ধর্মান্ধতা প্রাধান্য পেয়েছে তখন
ভারতবর্ষের জরাজীর্ণ রূপটি পাঠ্যাংশে বুড়ির মধ্যে ধরা পড়ে ।
● বুড়ির সকার নিয়ে সংঘটিত নানা ঘটনার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার স্বরূপ নিপুণভাবে
চিত্রিত
● তবে গল্পের শেষে পাঠক লাভ করে এক অসাম্প্রদায়িক – মানবিক অনুভূতি –যা হল
গল্পটির অন্তর্নিহিত সত্য ।
5
Page 6
6. কবিতা থেকে প্রসঙ্গ সহ ব্যাখ্যা 5
● সূত্র নির্ভুল হলে 1 নম্বর
● প্রসঙ্গ উল্লেখ করলে 1 নম্বর
● ব্যাখ্যার জন্য 3 নম্বর
উত্তর সংকেত :
“শহরের অসুখ হাঁ করে কেবল সবুজ খায়”
●সূত্র: শক্তি চট্টোপাধ্যায় , ‘অঙ্গুরী তোর হিরণ্য জল’ কাব্যগ্রন্থের ১৩ সংখ্যক
কবিতা ‘আমি দেখি’
● প্রসঙ্গ: নগরসভ্যতার যান্ত্রিকতা ও কৃত্রিমতা সামাজিক, মানসিক ও প্রাকৃতিক
পরিবেশের সজীবতাকে গ্রাস করে – সেই প্রসঙ্গে
● ব্যাখ্যা:
●যন্ত্রযুগে অবাধে গাছ কেটে ফেলে আধুনিক জীবনের চাহিদা যা শহরের ‘অসুখ’ বলে
গণ্য তা মেটানো হচ্ছে এতে হারিয়ে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য যা একাধারে
বাহ্যিক ও আন্তরিক
● আগ্রাসী ধ্বংসলীলা প্রকৃতির সঙ্গে মানবচিত্তকেও বোধ করেছে
● তার থেকে মুক্তির পথ কবি বর্ণনা করেছেন
“গাছ আনো, বাগানে বসাও
আমি দেখি ”
● সূত্র: পূর্ব উল্লিখিত
● প্রসঙ্গ: নগরসভ্যতার চূড়ান্ত পর্যায়ে মানুষের স্বেচ্ছাচারিতায় যে বিরাট শূন্যতার
সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে মুক্তির উপায় প্রসঙ্গে
● ব্যাখ্যা:
●নগরায়নের অহমিকায় গাছ কেটে ফেলে ইট , কাঠ , পাথরের নির্জীবতায় , শূন্যতায়
হাঁপিয়ে উঠেছেন কবি তাই অরণ্যে যাওয়ার আর্তি জানিয়েছেন
●‘গাছের ভিতরে যদি যেতে পারি’ – এই আকুলতা দেখা গেছে – যা প্রাকৃতিক ও মানসিক
ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে
● প্রকৃতির বুকে নিজেকে মেলে ধরতে না পেরেই কবির মনে হয়েছে বাগানে গাছ বসানো
প্রয়োজন , যা তাঁর চেতনার সজীবতা , মনের সতেজতার জন্য প্রয়োজন
7. নাটক থেকে প্রশ্ন : 5
(2+3)
6
Page 7
“যাবার আগে মজলিশি গল্পের আস্তাকুঁড়ে নির্বাসন দিয়ে গেল আমাকে”-
a. চেখভের ‘ সোয়ান সঙ্’- এর মৌলিক অনুবাদ অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ নানা
রঙের দিন’ নাটকে নিজের নাট্যজীবনের সত্যান্বেষণে রত বৃদ্ধ অভিনেতা
রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় আবেগতাড়িত হয়ে নাটকের প্রম্পটার কালীনাথ সেন-এর
প্রতি এই উক্তিটি করেন ।
b. যে রজনীকান্ত ‘সাজাহান’ নাটকে ঔরঙ্গজেবের চরিত্রের অভিনয়ে দৃপ্ত ও উজ্জ্বল
প্রমাণ রেখেছিলেন , সুজার আবেগঘন সংলাপে দর্শক ও শ্রোতার মন জয় করেছিলেন ,
তিনিই যখন নাটকের সস্তা , চটুল, অগভীর কাহিনী ও চরিত্রে অভিনয় করে দর্শককে
আকৃষ্ট করতে বাধ্য হন তখন শিল্পীর অসহায়ত্ব ধরা পড়ে । পাশে থাকে শুধু
কালীনাথের মত একনিষ্ঠ ভক্ত ও আর এক অসহায় জীবনের সমর্থন।
a. ‘নানা রঙের দিন’ নাটকের মঞ্চসজ্জা উল্লেখ কর
b. নাটকটির নামকরণ সম্পর্কে উপযুক্ত বিশ্লেষণ সহ তোমার অভিমত দাও
উত্তর সংকেত:
a. চেখভের ‘ সোয়ান সঙ্’ এর মৌলিক অনুবাদ অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ নানা
রঙের দিন’ নাটকের শুরুতে রাত্রে অভিনীত নাটকের বিক্ষিপ্ত কিছু দৃশ্যপট ,
যন্ত্রপাতি সমন্বিত ফাঁকা মঞ্চে একাকী মোমবাতি হাতে রজনীকান্তের সঙ্গে
দর্শকের পরিচয় ঘটে। চারিদিক অন্ধকার ও মঞ্চের মাঝখানে উল্টানো টুল ইত্যাদির
বর্ণনা প্রয়োজন।
b. নাটকটি যেহেতু মৌলিক অনুবাদ তাই এর নামকরণ নাট্যকার তথা কেন্দ্রীয়
চরিত্রের দৃষ্টিভঙ্গী ও মতামত পন্থী। ‘সোয়ান সঙ্’ শব্দযুগলের অর্থ ও প্রয়োগ
এখানে উল্লেখ্য ও রজনীকান্তের নাট্যজীবনের নানা রঙের দিনের পর্যায় ক্রমের
বিবরণ , কালীনাথ সেখানে সহায়ক। তাই শিল্পীজীবনের বাস্তবতার সঙ্গে তাঁর
আকাঙ্ক্ষা , ইচ্ছা নাটকীয় ঢঙে স্পষ্ট।
7
Page 8
5
(2+3)
8. “আমার বাংলা’ গ্রন্থ থেকে প্রশ্ন:
“চুরি করা মহাপাপ”-
a. সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞতা অন্যতম ফসল ‘ আমার বাংলা’ সংকলন গ্রন্থের
‘মেঘের গায়ে জেলখানা’ হল ভুটান তিব্বতের রাস্তায় বক্সার জেলখানা। তার ভিতরে
ঢুকলেই গির্জার উপদেশ বাক্যের মতই চোখে পড়ে ‘ চুরি করা মহাপাপ’ বাক্যটি , যা
জেলের অস্তিত্বকে যেন বিদ্রুপই করে।
b. এই মহাপাপের সাজা যারা ভোগ করছে তার মধ্যে বছর পঞ্চাশের সাধুচরণ আর
বছর দশেকের মুস্তাফা সমাজ, রাজনীতির চাপে পিষ্ট হয়ে বাধ্য হয়েছে ‘চোর’ ,
‘পকেটমার’ হতে। যে সমাজব্যবস্থা ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ারের বদলে মুস্তাফার মত
ছেলেগুলোকে পকেটমার বানায় , বাপ্ – মা মরা , আত্মীয় প্রত্যাখ্যাত ‘ সাধুচরণ’কে
সাধু কাজের বিপরীত কাজ করতে বাধ্য করে সেই সমাজই মহাপাপী, সাধুচরণ’ ,
মুস্তাফা তার শিকার ।
“ভেতরে ঢুকে মনে হবে যেন মধ্য যুগের একটা প্রকান্ড কারখানা”-
a. বক্সারের জেলখানার ভিতরে ঢুকলে , সেখানকার দৈনিক কর্মপ্রণালী দেখলে
কারখানা বলেই মনে হবে তফা এই, এরা শ্রমিক হলেও বন্দী জুতো সেলাই থেকে
চণ্ডীপাঠ সব কাজই বিভিন্ন ডিপার্ট দ্বারা চালিত হত
b. অপরাধের মাত্রানুযায়ী শাস্তির যে পদ্ধতি তা পক্ষপাতদুষ্ট
বড়লোকের ছেলেরা যারা নিজেদের স্বার্থপূরণের জন্য বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ তারা
‘সুয়োরানির ছেলে’
অন্যদিকে যারা নিজেরা বাঁচতে ও সংসারকে বাঁচাতে চুরি ডাকাতি করতে বাধ্য হয় তারা
‘দুয়োরানির ছেলে’ হয়ে নরকবাসে বাধ্য
8